1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
বিদ্যালয় মাঠ যেন জলাধার, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

বিদ্যালয় মাঠ যেন জলাধার, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ৮২ বার পঠিত
বিদ্যালয় মাঠ যেন জলাধার

স্কুলমাঠে সাঁতার কাটছে হাঁস, শিশুরা হাঁটে শঙ্কায়!
অনলাইন ডেস্ক

বর্ষা নামলেই কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার নন্দীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জমে থইথই পানি। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। সদর ইউনিয়নের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারপাশ যেন একজোড়া বিপদের খাঁচা—নিচু মাঠ, খোলা জলাশয়, আর নেই কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী। শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়ার সময় পা পিছলে পড়ে যাচ্ছে, ইউনিফর্ম ভিজে যাচ্ছে, বইখাতা নষ্ট হচ্ছে। মাঠে খেলাধুলার বদলে হাঁসের সাঁতারে মুখর এখন এই স্কুলের প্রাঙ্গণ।

বিদ্যালয়ের পেছন ও দক্ষিণ পাশে বিস্তীর্ণ গভীর জলাধার। যেকোনো মুহূর্তে পানিতে ডুবে দুর্ঘটনার শঙ্কা প্রবল। অথচ চারপাশে নেই কোনো সীমানা প্রাচীর বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোমলমতি শিশুরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে আসে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, মাঠ নিচু হওয়ায় বর্ষায় উজানের পানি এসে এই অবস্থা তৈরি করে। নিরাপত্তাহীনতায় তারা শিক্ষার্থীদের বাড়তি নজরদারিতে রাখতে বাধ্য হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকা হওয়ায় উজান থেকে আসা পানিতে নিচু অঞ্চল প্লাবিত হয়। প্রতিবছর এ চিত্র দেখেই অভ্যস্ত তারা। তারা বলছে, স্কুল মাঠ উঁচু করে এবং চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুললেই সমাধান সম্ভব। নয়তো কোমল প্রাণগুলোর জন্য থাকবে চিরস্থায়ী ঝুঁকি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ১৯৯২ সালে স্থাপিত বিদ্যালয়টির মাঠে পানি জমে টইটম্বুর অবস্থা। হাঁসেরা সাঁতার কাটছে, আর শিশু শিক্ষার্থীরা রীতিমতো পানি চিড়ে ক্লাসে ঢুকছে। শ্রেণিকক্ষে যাওয়ার পথে পিচ্ছিল হয়ে পড়ে যাচ্ছে অনেকেই। খেলাধুলার নামগন্ধ নেই।

কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, ক্লাসে ঢুকতে কষ্ট হয়, মাঠে খেলা তো দূরের কথা, কখন পা পিছলে পড়ে যাই, এই ভয় নিয়েই স্কুলে আসি। তাদের ভাষায়, “মাঠে হাঁটতে গেলেই বই-খাতা ভিজে যায়।”

অভিভাবক আবুল কালাম বলেন, “প্রতিবছরই পানি ওঠে, ঝুঁকি বাড়ে। বহুবার বলেছি, কেউ শুনছে না। মাঠটা উঁচু না করলে সন্তানদের নিয়ে সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুনুরানী সরকার জানান, “আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছি। বর্ষায় পানি জমে শিশুদের সমস্যা হচ্ছে, বিষয়টি আমলে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি।”

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হালিমা পারভীন বলেন, “জেলা পর্যায়ে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছি। বরাদ্দ পেলেই মাঠ উঁচু করার কাজ শুরু হবে। সীমানা প্রাচীরের জন্যও চাহিদা দেওয়া হয়েছে।”

তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, “বিষয়টি এই প্রথম শুনলাম। কেউ আমাকে জানায়নি। দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..